Follow palashbiswaskl on Twitter

PalahBiswas On Unique Identity No1.mpg

Unique Identity Number2

Please send the LINK to your Addresslist and send me every update, event, development,documents and FEEDBACK . just mail to palashbiswaskl@gmail.com

Website templates

Zia clarifies his timing of declaration of independence

What Mujib Said

Jyoti Basu is dead

Dr.BR Ambedkar

Memories of Another day

Memories of Another day
While my Parents Pulin babu and Basanti Devi were living

Wednesday, July 17, 2013

লগ্নি-প্রতারণা রুখতে উদ্যোগী কেন্দ্র, অনিশ্চিত মমতার বিল

লগ্নি-প্রতারণা রুখতে উদ্যোগী কেন্দ্র, অনিশ্চিত মমতার বিল

লগ্নি-প্রতারণা রুখতে উদ্যোগী কেন্দ্র, অনিশ্চিত মমতার বিল
নয়াদিল্লি ও কলকাতা: বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অবশেষে নড়েচড়ে বসল কেন্দ্রীয় সরকার৷ এই ধরনের সংস্থাগুলির বাড়বাড়ন্ত রুখতে ৩৫ বছর আগে তৈরি একটি আইনকে আরও কঠোর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মনমোহন সিং সরকার৷ এ জন্য অচিরেই অর্ডিন্যান্স জারি করতে পারে কেন্দ্রের অর্থমন্ত্রক৷ সরকারের আর একটি সূত্রের খবর, সংসদের বাদল অধিবেশনে এ জন্য প্রাইজ চিট অ্যান্ড সার্কুলেটিং স্কিম (ব্যানিং) সংশোধনী বিল, ২০১৩ পেশ করতে চলেছে অর্থমন্ত্রক৷ ওই নামেই ১৯৭৮ সালে তত্‍কালীন জনতা পার্টির সরকার আইন করেছিল৷ 

কেন্দ্রের এই উদ্যোগে অবশ্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই সংক্রান্ত বিলটির ভবিষ্যত্‍ নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে৷ রাজ্য সরকারের পাঠানো বিলটি এখন অর্থমন্ত্রকেরই বিবেচনাধীন৷ সেখান থেকে কর্পোরেট বিষয়ক এবং আইনমন্ত্রক হয়ে সেটি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বিবেচনার জন্য যাওয়ার কথা৷ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক চূড়ান্ত ছাড়পত্র দিলে সেটি রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে৷ সারদা কেলেঙ্কারির পর রাজ্য সরকার এই ধরনের সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তড়িঘড়ি বিধানসভায় 'দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল প্রোটেকশন অফ ইন্টারেস্ট অফ ডিপোজিটরস ইন ফিনানশিয়াল এস্টাব্লিশমেন্টস বিল, ২০১৩' পাশ করিয়ে নিয়েছে৷ অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র তার পরই বিলের কপি নিয়ে দিল্লি ছোটেন৷ কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের মন্ত্রী ও অফিসারদের সঙ্গেও দেখা করেন তিনি৷ কিন্তু প্রায় দু'মাস কেটে গেলেও, কেন্দ্রের সবুজ সংকেত আসেনি৷ উল্টে কেন্দ্রীয় সরকার এখন কঠোর আইন করতে উদ্যোগী হওয়ায় মমতার রাজনৈতিক সাফল্যে কংগ্রেস ভাগ বসাতে চাইছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে৷ 

ইতিপূর্বে কেরালা, তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র-সহ একাধিক রাজ্য এই ধরনের আইন করেছে৷ কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার তখন গোটা দেশের জন্য অভিন্ন আইন করার কথা ভাবেনি৷ রাজ্যের অর্থদপ্তরের এক পদস্থ অফিসার বলেন, 'দিল্লি আইন করলেই, তা কোনও রাজ্য মানতে বাধ্য নয় যদি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে রাজ্যের নিজস্ব আইন থাকে৷ আমাদের বিলটি কেন্দ্র অনুমোদন না-করলে আর্থিক তছরুপে সর্বভারতীয় আইনকেই হাতিয়ার করা ছাড়া উপায় থাকবে না৷' 

১৯৭৮ সালের আইনেই বামফ্রন্ট সরকার সঞ্চয়িতা নামের বেসরকারি লগ্নি সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছিল৷ পরে আরও কয়েকটি সংস্থার বিরুদ্ধে ওই আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও, ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগের একদশক তারা হাত গুটিয়েই ছিল৷ আর সেই সুযোগেই ব্যাঙের ছাতার মতো বেড়েছে সারদার মতো প্রতারক আর্থিক সংস্থা৷ অবশ্য এই সময়ের মধ্যে বাম সরকার দু'টি বিল দিল্লির অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছিল৷ কোনওটিই দিল্লি অনুমোদন করেনি৷ ২০০৮-এ তাদের তৈরি এমনই একটি বিল নিয়ে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে চিঠি পাঠিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্র৷ প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাঁর প্রশ্ন, সংশ্লিষ্ট বিলটি কেন্দ্র ফেরত পাঠিয়েছে, নাকি রাজ্য সরকার চেয়ে পাঠিয়েছিল? সেই সঙ্গে সারদা-সহ ভুঁইফোঁড় অর্থলগ্নিকারী সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত দাবি করেছেন তিনি৷ তাঁর বক্তব্য, 'এ রকম বেশ কয়েকটি সংস্থার সঙ্গে শাসকদলের সাংসদরা যুক্ত৷' 

অর্থমন্ত্রক সূত্রের খবর, রাজ্য সরকারের পাঠানো বিলটি প্রথমে অর্থমন্ত্রক বিবেচনা করবে৷ কারণ, আপত্তিটা প্রধানত তারাই তুলেছিল৷ মন্ত্রকের একাধিক বিভাগ ঘুরে আসার পর সেই বিল যাবে কর্পোরেট ও আইনমন্ত্রকের কাছে৷ তারা অনুমোদন করলে সেটি মন্ত্রিসভার কাছে পাঠানো হবে৷ মন্ত্রিসভা ছাড়পত্র দিলে রাষ্ট্রপতির কাছে সইয়ের জন্য যাবে৷ এমনিতেই এই প্রক্রিয়া শেষ হতে সময় লাগে৷ তার ওপরে অর্থমন্ত্রক এখন আগে নিজেদের বিল বা অর্ডিন্যান্সের স্বরূপ ঠিক করতে ব্যস্ত৷ 

কেন্দ্রীয় সরকারের যুক্তি হল, বেআইনি চিট ফান্ডগুলি আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে যাচ্ছে৷ সেবি, কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রক, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, অর্থমন্ত্রক ও রাজ্য সরকার কারা, কী ভাবে তাদের নিয়ন্ত্রণ করবে তা আইনে স্পষ্ট বলা নেই৷ সারদা কেলেঙ্কারির পর সেবি, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, কর্পোরেট বিষয়কমন্ত্রক দায় চাপিয়ে দিয়েছিল রাজ্য সরকারের ওপরে৷ আর রাজ্য সরকার বলেছিল, মূল দায় কেন্দ্রীয় সরকার ও কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানের৷ আইন সংশোধন করে এই ধোঁয়াশা দূর করা হবে৷ সেখানে নির্দিষ্ট করে বলা হবে, কার কী দায়িত্ব৷ তা ছাড়া বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থাগুলি যাতে ছলে-বলে-কৌশলে সাধারণ লোকের কাছ থেকে টাকা তুলতে না-পারে, সেটাও নিশ্চিত করা হবে৷ 

অর্থমন্ত্রকের টাস্ক ফোর্স ও স্ট্যান্ডিং কমিটির সামনেও সেবি ও রিজার্ভ ব্যাঙ্ক বলেছিল, আইনের অস্পষ্টতার সুযোগ নিয়ে বেআইনি চিট ফান্ডগুলি ব্যবসা করছে৷ তাঁরা একরকম ব্যবসা করবে বলে লাইসেন্স নেয়, তার পর সেটাকে কাজে লাগিয়ে প্রলোভন দেখিয়ে লোকের কাছ থেকে বেআইনি ভাবে টাকা তোলে৷ সেটা দেখা কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের কাজ৷ আবার লোক ঠকানোর ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের ভূমিকা এসে পড়ে৷ সেখানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রক বা সংস্থা কিছু করতে পারে না৷ এই জটিলতার ফাঁকেই সারদা-সহ বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থাগুলি গলে বেরিয়ে গিয়েছে ও যাচ্ছে৷
অর্থমন্ত্রক সূত্রের বক্তব্য, তৃণমূল সরকার প্রথমবার যে আইনটি পাঠিয়েছিল, তাতে টেকনিক্যাল প্রচুর ভ্রান্তি ছিল৷ তা ছাড়া আইন চালু হওয়ার আগের কোনও ঘটনা ঘটলে, তা ওই আইনের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে না৷ চালু হওয়ার পরে কোনও ঘটনা ঘটলে, তা ওই আইনের আওতায় আসবে৷ কিন্তু রাজ্যের আইন আগেকার ঘটনার ওপরেও বলবত্‍ হওয়ার কথা ছিল৷ সে জন্যই তাঁদের কাছে পরিবর্তনের সুপারিশ করা হয়েছিল৷ কেন্দ্রীয় আইন, যা নিয়ে অর্ডিন্যান্সের কথা ভাবা হচ্ছে, তাতে আইনের ফাঁকগুলি বন্ধ করা হলে, তার পর রাজ্যের আইনকে সেই পরিপ্রেক্ষিতে দেখা হতে পারে৷

No comments: